বান্দরবান উপজেলায় নাইক্ষ্যংছড়ি বাইশারী ইউনিয়নের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ নিয়ে অভিযোগকারীগণ জিয়াউল হক আনসারিসহ মাওলানা মোঃ সিকান্দার বান্দরবান জেলা উপ-পরিচালক ইসলামি ফাউন্ডেশন এর কার্যালয়ে গত ১২ এপ্রিল ২৬ইং তারিখে বাইশারী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার সোনা মিয়া বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
অভিযুক্ত বাইশারী ইউনিয়ন ইসলামি ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার সোনা মিয়া সাথে ফোনে মুঠোয় কথা বলিলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বিষয়ে অস্বীকার করেন।
এদিকে উপজেলার নিয়োগ বিষয়ে জেলা উপ-পরিচালক সেলিম উদ্দিন এর সাথে বাইশারী ইউনিয়ন ইসলামি ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার সোনা মিয়া বিরুদ্ধে দূর্নীতি বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানার জন্য বিষয়টি ফোন আলাপ আলোচনায় করলে তিনি জানান যারা সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ করেছেন তারা কোথাও ভূল আছে মনে হচ্ছে কারণ আমার কাছে সোনা মিয়া বিরুদ্ধে কাগজে আনীত অভিযুগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানায়,বান্দরবান বাইশারী ইউনিয়ন উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে বাইশারী ইউনিয়ন সদর উপজেলায় নিয়োগ দেয়া হবে। সাড়ে ছয় হাজার টাকা মাসিক সম্মানীতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে এসব শিক্ষক শিশু শিক্ষার্থীদের প্রাক-প্রাথমিক ও সহজ কোরআন শিক্ষা দেবেন। নিয়োগ পাওয়ার পর পর্যায়ের এ শিক্ষকদের যোগদান করার হবে।
এদিকে বান্দরবান ইসলামি ফাউন্ডেশনের কার্যালয় উপ-পরিচালক সেলিম উদ্দিন সাথে সোনা মিয়া বিরুদ্ধে দূর্নীতি বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে জানার জন্য ফোনে মুঠোয় কথা বলিলে তিনি জানান নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা জেলা প্রশাসক অফিসারের কর্তৃক নিয়োগ কমিটি যাকে মেধা হিসেবে যাচাই বাচাই করবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এখানে আমার করার কিছুই নাই।
নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কয়েকজনের লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক সেলিম উদ্দিন ও বাইশারি ইউনিয়ন ইসলামি ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার সোনা মিয়া প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষা গ্রহণসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন। তারা কেয়ারটেকার সোনা মিয়া কে পছন্দের প্রার্থীর হিসাবে ফল প্রকাশ করে কিছু বিনিময়ে বাণিজ্য করেছেন। এছাড়া প্রকাশিত ফলাফলে একই ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইলেও নিয়োগ কমিটিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এসব অনিয়মে নিয়োগ কমিটির বেশ কয়েকজন আলেম জড়িত বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে নিয়োগ কমিটির জেলা উপ- পরিচালক সেলিম উদ্দিন বলেন, শতভাগ নিয়মনীতি মেনেই নিয়োগ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে কয়েক সপ্তাহ এর মধ্যে ভাইভা পরীক্ষা প্রক্রিয়াধীন আছেন অভিযোগকারীদের অভিযোগ মিথ্যা এবং এবিষয়ে সত্য প্রমাণ হইলে অবশ্যই আইনের প্রক্রিয়াধীন থাকবে।