বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নে গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা দেওয়ায় এক যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ ছালাম (২৬)। তিনি দৌছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল শনিবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এলাকায় গরু ও ইয়াবা পাচারের একটি চক্রকে বাধা দেন মোহাম্মদ ছালাম। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে
এতে দৌছড়ি পাইনছড়ি এলাকার বাসিন্দা মৃত্যু আবদুর রহমানের পুত্র মোঃ আয়াতুল্লাহ তার ভাই শহিদুল্লা মৃত্যু দিল মোহাম্মদ পর পুত্র মনজুর আলম আমির হামজার পুত্র নুর মোহাম্মদ এবং বাহির মাঠ এলাকার বাসিন্দা নজির হোসাইন এর পুত্র আনছার উল্লার নেতৃত্বে তাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। হামলার একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ছিদ্দিক ও নুরু মিয়া তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনা না হলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে এবং এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যেতে পারে।
দৌছড়ি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জায়তুন্নাহার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাটি দুঃখজনক। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
অন্যদিকে, আহত ছালামের স্ত্রী নুর জাহান অভিযোগ করে বলেন, “গরু পাচারকারীরা খুবই প্রভাবশালী। থানায় অভিযোগ গ্রহণে নানা জটিলতা তৈরি হওয়ায় আমরা আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর তাদের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।