নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মশালা।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দিন ব্যাপি ইউএন উইমেন বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উদ্যোগে বান্দরবান অনন্যা কল্যাণ সংগঠন একেএস সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় বান্দরবান রয়েল হোটেল কনফারেন্স রুম প্রাঙ্গনে “তৃণমূল পর্যায়ে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডা স্থানীয়করণ” শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনন্যা কল্যাণ সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ডনাই প্রু নেলীর সভাপতি কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্ডিনেটর ও পার্টনার সংস্থার সমন্বয়কারী সেজুতি ধর , এই সময় অন্যন্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট সারা সুদীপা ইউনুস, হেডম্যান সানুচিং , প্রজেক্ট কর্মকর্তা ইলিপ্রু মারমা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পাইমেচিং সহ তৃণমূল নারী নেত্রী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, কমিউনিটি ফোরাম ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সরকারের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা প্রদান করা হয়।
আলোচকরা বলেন, সংঘাত, সহিংসতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ নারীদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। তাই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার সব পর্যায়ে নারীর সক্রিয় ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। এতে নারীর অধিকার সুরক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং টেকসই সমাজ গঠনের প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন সেজুতি ধর ও হালিমা লিজা। বক্তারা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর মতামত প্রতিফলিত হয় না। নারীর মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা অ্যাজেন্ডার বাস্তবায়ন তৃণমূল পর্যায়ে আরও জোরদার করা হবে।