পাহাড়ে সকলকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার তারেক রহমানের বান্দরবান—৩০০নং আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এ এস এম সুজা উদ্দিন এখন চষে বেড়াচ্ছেন জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা গুলোতে।
নেটওয়ার্কের বাইরে এনসিপি প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, বাইশারী, ঘুমধুম, দোছড়ি, সোনাইছড়ি, ফুলতলি ও তুলাতলি ইউনিয়ন এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার গহীন ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়। শাপলা কলির পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত অঞ্চল ও থানচির রেমাক্রী ও তিন্দুর প্রত্যন্ত জনপদে।
প্রচারণায় স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, কষ্ট ও প্রত্যাশার কথা গুলো শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে তাদের এই প্রত্যাশা পূরনের আশ্বাস দিচ্ছেন।
নেটওয়ার্কের বাইরের এই নির্বাচনী প্রচারণার বিষয়ে শাহ্ সুজা বলেন, এখানকার জনগণ শুধু নেটওয়ার্কের বাইরে নয় নাগরিক সেবার বাইরেও রয়ে গেছে। প্রার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি এ পর্যন্ত কোন প্রকার বাধা বিঘ্নের সম্মুখিন হন নাই। বরং ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন এমনটাই জানিয়েছেন।
তিনি সংসদে গেলে এই জনগণ শুধু নেটওয়ার্কই নয়, ন্যায্য সেবা ও অধিকারও পাবে। স্থানীয়দের সঙ্গে এই সরাসরি সংযোগ ও কথা শোনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’ নামের এই ভিন্নধর্মী প্রচারণা পাহাড়ি জনপদের মানুষের মধ্যে নতুন করে আস্থা ও প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নির্বাচনী মহা সমাবেশে ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমতল এবং পাহাড়ের মানুষ সকলকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানান। ঐ দিন তিনি মঞ্চে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজারের আসনসমূহে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
তিনি বলেছেন চট্টগ্রামের পাহাড় এবং সমতলের মানুষ একসাথে বসবাস করেন। আন্দোলনের সময় আমরা দেখিনি কে পাহাড়ের মানুষ, কে সমতলের মানুষ। একাত্তরে যুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে পাহাড়ের মানুষ, কে সমতলের মানুষ। সমতল এবং পাহাড়ের মানুষ সকলকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার করেছেন।
তারেক রহমান আরো বলেন, পাহাড়ের মানুষ হোক, সমতলের মানুষ হোক, ইসলাম ধর্মের মানুষ হোক, অন্য ধর্মের মানুষ হোক, আমরা সকলকে নিয়ে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আজকে যে এখানে লাখো মানুষ আপনারা উপস্থিত হয়েছেন, আপনারাসহ আপনাদের মাধ্যমে এলাকার লক্ষ—কোটি মানুষের কাছে আমি আহবান রাখব—গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করেন, মানুষের বাক—স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্রের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করেন আপনারা ধানের শীষ তথা বিএনপির উপর আস্থা রাখুন। ইনশাআল্লাহ ধানের শীষ এবং বিএনপি নির্বাচিত হলে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে, অতীতের মতো এদেশের খেটে—খাওয়া মানুষকে সাথে নিয়ে তাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলব।