সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জনাব ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার একাধিক চমকের মধ্যে এটি অন্যতম।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর আস্থাভাজন একজনকে দায়িত্বে নেওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে যে এবার পার্বত্য চট্টগ্রাম সরকারের পরিকল্পনায় একটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
বান্দারবানের ভূমিপুত্র ব্যারিস্টার জিসান জানান, তিনি এই নিয়োগকে সময়োপযোগী ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ব্যারিস্টার জিসান তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু যুক্তি দিয়ে বলেন –
১। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর চেতনা অনুযায়ী সকল জাতিগোষ্ঠীর সম্মানজনক সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
২। রাষ্ট্রীয় সংস্থা, জাতীয় রাজনৈতিক দল ও আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আস্থা পুনর্গঠন সহজ হবে।
৩। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের সরাসরি সংযোগ স্থাপন সম্ভব।
৪। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির উন্নয়নে সমান নজর দেওয়া যাবে।
৫। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সংবেদনশীলতা বিবেচনায় পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।
৬। তারেক রহমান–এর আস্থাভাজন হওয়ায় পরিকল্পনায় পার্বত্য অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ স্থান পাবে।
৭। প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক ও আইনগত সমস্যাগুলো সমাধানে আইনি দক্ষতা কাজে লাগবে।
৮। সাংবিধানিক প্রশ্ন ও চুক্তি বাস্তবায়নে টেকসই সমাধান সম্ভব।
৯। সংলাপভিত্তিক আস্থা পুনর্গঠন সহজ হবে।
১০। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আইনের সমন্বয় সম্ভব।
১১। উন্নয়ন বনাম অধিকার ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রণয়নে সহায়ক।
১২। আঞ্চলিক নয়, জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়গুলো সমাধানযোগ্য হবে।
১৩। অতীতে নিরপেক্ষ উপস্থাপনা হয়নি, এবার তা সম্ভব হবে।
১৪। কেন্দ্রীয় আস্থাভাজন হিসেবে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে।
১৫। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে নীতি নির্ধারণ করা যাবে।
১৬। সংখ্যালঘু অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যাশা পূরণ হবে।
১৭। স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সহজ হবে।
১৮। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
১৯। সকল পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিবেশ তৈরি হবে।
২০। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সম্ভাব্য অনিয়ম সম্বন্ধে হাই কমান্ডকে নিরপেক্ষভাবে অবহিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
ব্যারিস্টার জিসান আরও উল্লেখ করেন, “এছাড়াও তাঁর মতে, মীর হেলালের আইনি ও রাজনৈতিক দক্ষতা, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা, এবং সংখ্যালঘু ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলার ক্ষমতা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলতে পারে।”