নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুলতান আহমদ

বিশেষ প্রতিনিধি :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মাওলানা সুলতান আহমদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে এলাকায় পরিচিত মুখ তিনি।
সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা হয় এবং তিনি আসামি হন বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে ত্যাগী বিএনপি নেতা হিসেবে বিবেচনা করেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনেকে।
সুলতান আহমদের পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও রয়েছে। তাঁর চাচা হাজী রকির আলী মাস্টার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন হাজী সুলতান আহমদ।
স্থানীয়দের মতে, এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী জহির ও আলী বলেন, হাজী সুলতান আহমদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। সামাজিক ও সাংগঠনিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে তাঁকে সক্রিয় দেখা যায়। তাঁর পারিবারিক পরিচিতি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে তিনি এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমরা আশাবাদী।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হাজী সুলতান আহমদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য কাজ করে আসছি। নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিলে জনগণের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। বিশেষ করে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়াডের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে।”








