পার্বত্য এলাকায় তুলাচাষ সম্প্রসারণ কৌশল নির্ধারণে বান্দরবানে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তুলা উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান জোন এর প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে শনিবার (২ মে) সকালে বান্দরবানের বালাঘাটা পাহাড়ী তুলা গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু তালেব এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ মো.রেজাউল আমিন।
এসময় বিশেষ আতিথি হিসেবে কর্মশালায় তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তরের উপ পরিচালক মো.কুতুবউদ্দিন, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক এ এইচ এম কায়কোবাদ, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বান্দরবানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক তৌফিক আহম্মেদ নুর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো.এনায়েত করিম, তুলা উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান জোন এর প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.আলমগীর হোসেন মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বান্দরবান,রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা এবং তুলা চাষী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থেকে কর্মশালায় তুলার চাষ সম্প্রসারণে বিভিন্ন মতামত প্রদান করেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবান,রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি তুলা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। পাহাড়ের মাটি আবহাওয়া আর জলবায়ু তুলা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় দিন দিন পাহাড়ের বিভিন্নস্থানে তুলার আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসময় বক্তারা পাহাড়ে ক্ষতিকর তামাক চাষ বন্ধ করে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়াতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে আপল্যান্ড তুলা আর পাহাড়ী তুলা এই ২জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে, আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বান্দরবানে ৫০০হেক্টর জমিতে আপল্যান্ড তুলা ও ৫হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পাহাড়ী তুলা আবাদ হয়েছে। উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, তুলা চাষে কৃষি উপকরণের মুল্য সহনশীল রাখা, বাজারজাত করণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ন্যায্যমুল্য নিশ্চিত করা এবং তুলা চাষ সম্প্রসারণে জাতীয় পর্যায়ে নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে পার্বত্য জেলায় তুলার আবাদ আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।