বান্দরবান বালাঘাটা ১নং ওয়ার্ড পৌরসভার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের নিয়ে ওঠা নয়-ছয়ের অভিযোগের তদন্ত নির্দেশনা দেন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট
বুধবার (২৬ নভেম্বর ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বান্দরবান জেলার ম্যাজিস্ট্রেট ফয়েজুর রহমান ।
তিনি বলেন, দীর্ঘ বছর আগে গোপনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুফলভোগীর তালিকায় অনিয়মের করে নিয়ে চাল আত্মসাৎ করে আসছিলেন মোঃ রিদুয়ান নামে এক ডিলার। এর বিচার চেয়ে জনসাধারণ প্রতিনিধি এবং এলাকায় জনগণের করা অভিযোগটির সত্যতা মিলেছে। একই সঙ্গে এ অভিযোগ করার পর তাদেরই উল্টো শোকজ করার বিষয়টি তদন্ত করার জন্য জেলার ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেন।এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করে জেলা খাদ্যবান্ধব অফিসার কাছে অভিযোগ করেছে এলাকায় জনগণ এতে বলেন যা ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত রিপোর্ট পাঠাবে, সেটা সঠিক সত্যতা বিচার হবে।
অভিযোগে জানা গেছে, হতদরিদ্র শ্রমিক দিনমজুর পরিবারের মানুষদের মাঝে স্বল্প মূল্যে চাল বিক্রি করতে সরকার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করে। প্রথম দিকে ভর্তুকি মূল্যে ৩০ টাকা কেজিদরে পরিবার প্রতি ৫ কেজি হারে চাল বিক্রি শুরু করে সরকার। পরবর্তীকালে দাম বাড়িয়ে টাকা কেজিদর করা হয়। স্থানীয়রা এ কারণে স্থানীয় জনগন ক্ষেপা হয়ে উঠে।
অভিযোগ উঠেছে, হতদরিদ্র দিনমজুরদের জন্য স্বল্প মূল্যে চাল বিক্রি করতে সরকার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করে। প্রথমদিকে ভরতুকি খাদ্য অফিস থেকে ৬০ টি সাদা প্লাস্টিকের প্রতিটি ডিলার জন্য চালের বস্তায় দেয়া হয়। ডিলার কাছে এসে যা দেখলাম মাত্র ৫০ বস্তায় ১০টি চাউলে বস্তায় মিলেনি আত্মসাৎ করেছে এই বিষয়টি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পরে দাম বাড়িয়ে ১০টাকার কেজিদর করা হয়। স্থানীয়রা এ কারণে এ কার্ডকে ১০ টাকার কার্ড নামেই জানেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে শোকজ পেলেন
স্থানীয় জনগন দুর্নীতির অভিযোগকারীকে শোকজের ঘটনায় তদন্ত জন্য নির্দেশনায় দেন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট।
অপরদিকে গেল বছর সরকার কার্ডধারীদের তথ্য ডিজিটাল করায় বিপাকে পড়েন ডিলার মোঃ রিদুয়ান ভরসা। কারণ কার্ডধারীর আপডেট ছবি ও আঙুলের ছাপ লাগবে। তখন কৌশলে ডিলার মোঃ রিদুয়ান ভরসা মৃত কার্ডধারী পর্যন্ত ছবি ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেন। বলে স্থানীয় জানান।
গত মাসের চাল বিতরণকালে খাদ্য বিভাগ ডিলারদের মধ্যে কার্ডধারীদের তালিকা নতুন করে বণ্টন করে। এতে মোঃ রিদুয়ান নামে এক ডিলারের হাতে পড়ে স্থানীয় লোকজন মহিলাদের চাউল নিতে আসলে নানান ধরনের অকথা শুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এদিকে স্থানীয় লোকজন খাদ্য অফিসার সুপ্রকাশ চাকমা’র তিনি বলেন মোঃ রিদুয়ান নামে ডিলার এই কাজটা করার মোটেই সঠিক হয়নি এবং আমি নিজেই স্পোটে এসে যা দেখছি অভিযোগ সত্য বলে মনে করি।তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা করা হবে।
এসময় জেলার ম্যাজিস্ট্রেট ফয়েজুর রহমান আরও সাংবাদিকদেরকে বলেন, অভিযোগকারীর অভিযোগের সত্যতা দেখা যাচ্ছে অভিযুক্ত ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা তদন্ত করব সত্য পাওয়া পেলেই তা দ্রুত ব্যবস্থা করা হবে।